পশ্চিমবঙ্গ সরকার অন্নপূর্ণা যোজনা চালু করেছে, যার অধীনে যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারের মহিলাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১ জুন ২০২৬ তারিখে সারা রাজ্যে এই প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।
প্রকল্পটি চালুর সময় সরকার সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র প্রকাশ করে, যাতে যোগ্য আবেদনকারীরা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারেন। একই সঙ্গে সরকার জানায় যে, অনলাইন আবেদনও গ্রহণ করা হবে। এরপর থেকেই বহু নাগরিক অন্নপূর্ণা যোজনার সরকারি অনলাইন আবেদন লিংক এবং নিবন্ধন পোর্টাল সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হন।
অনলাইন নিবন্ধন সহজ করতে সরকার পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল বা "ফ্যামিলি লেভেল ডেটা কালেকশন পোর্টাল" চালু করেছে। এই পোর্টালের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার সিটিজেন পোর্টালে প্রবেশ করে আবেদনকারীরা নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ও ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে অনলাইন আবেদন শুরু করতে পারেন। বর্তমানে এই পোর্টালটি প্রকল্পের উপভোক্তা নিবন্ধন এবং পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের প্রধান অনলাইন মাধ্যম।
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদনপত্রে আবেদনকারীদের পরিবারের পরিচয়, রেশন কার্ডের তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, পেশা, আয়, সম্পত্তি, সামাজিক অবস্থা, শিক্ষাগত তথ্য এবং অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য দিতে হয়। যেহেতু আবেদনটি পরিবারভিত্তিক যাচাইয়ের ওপর নির্ভরশীল, তাই আবেদন শুরু করার আগে পরিবারের সকল সদস্যের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত রাখা উচিত।
অনলাইন আবেদন গ্রহণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের মাধ্যমে আরও বিভিন্ন পরিষেবা চালু করা হতে পারে। এর মধ্যে আবেদনকারীর অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখা, প্রোফাইল হালনাগাদ, নথি ব্যবস্থাপনা এবং সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে চালু করা অন্যান্য প্রকল্প-সংক্রান্ত পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
এই নিবন্ধে অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন পোর্টাল, ধাপে ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া, নিবন্ধনের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য, আবেদনকারীর লগইন পদ্ধতি, ভবিষ্যতে উপলব্ধ হতে পারে এমন পোর্টাল পরিষেবা, গুরুত্বপূর্ণ লিংক এবং আবেদন করার আগে জানা প্রয়োজন এমন অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন পোর্টাল সম্পর্কে
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন পোর্টালটি প্রকল্পের উপভোক্তাদের তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। এটি পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যাল রেজিস্ট্রি ব্যবস্থার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে এবং পরিবারভিত্তিক নিবন্ধন ও তথ্য যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
এটি শুধু একটি সাধারণ আবেদন পোর্টাল নয়। এখানে আবেদনকারীদের পরিবারের সদস্যদের তথ্য, রেশন কার্ডের বিবরণ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পেশা, আয়, সম্পত্তি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এই তথ্যের ভিত্তিতে সরকার যাচাইকৃত উপভোক্তার ডাটাবেস তৈরি করে এবং আবেদন নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও দ্রুত করে।
পোর্টালে ধাপে ধাপে বিভিন্ন বিভাগ পূরণ করতে হয়, যেখানে আবেদনকারীদের পরিবারের বিভিন্ন তথ্য নির্ধারিত ফরম্যাটে জমা দিতে হয়। এর ফলে তথ্য যাচাই সহজ হয় এবং অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যের কারণে আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
পোর্টালে একটি পৃথক সিটিজেন পোর্টালও রয়েছে, যেখানে আবেদনকারীরা নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ও ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে অনলাইন আবেদনপত্রে প্রবেশ করতে পারেন। আবেদনটি একজন ব্যক্তির পরিবর্তে পুরো পরিবারের তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়। তাই আবেদন শুরু করার আগে পরিবারের সকল সদস্যের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত রাখা উচিত।
ভবিষ্যতে এই পোর্টালের মাধ্যমে আরও বিভিন্ন পরিষেবা চালু করা হতে পারে। যেমন, আবেদনকারীর অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখা, প্রোফাইল হালনাগাদ, নথি ব্যবস্থাপনা, উপভোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা এবং সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে চালু করা অন্যান্য প্রকল্প-সংক্রান্ত পরিষেবা।
পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল কী?
পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল তথ্যভান্ডার, যার মাধ্যমে সরকার উপভোক্তা পরিবারের তথ্য একটি একক প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে আলাদাভাবে তথ্য সংগ্রহ করার পরিবর্তে, এই পোর্টালে পরিবারের সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক জায়গায় সংরক্ষণ করা হয়।
এই পোর্টালের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর পরিবারভিত্তিক নিবন্ধন ব্যবস্থা। এখানে শুধুমাত্র একজন আবেদনকারীর তথ্য নয়, বরং পরিবারের সকল সদস্যের পরিচয়, পারিবারিক গঠন, আর্থিক তথ্য, সামাজিক অবস্থা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এর ফলে প্রতিটি উপভোক্তা পরিবারের একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি করা সম্ভব হয়।
পোর্টালে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি নির্ধারিত ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। আবেদনকারীদের পরিবারের বিভিন্ন তথ্য আলাদা আলাদা বিভাগে পূরণ করতে হয়। এর মাধ্যমে সরকার একই ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে আবেদন যাচাই করতে পারে এবং সব উপভোক্তার তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে পারে।
সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো একক প্ল্যাটফর্মে উপভোক্তাদের ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ। তথ্য জমা ও যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর একই তথ্য ভবিষ্যতে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে একই তথ্য বারবার জমা দেওয়ার প্রয়োজন কমে, রেকর্ড ব্যবস্থাপনা সহজ হয় এবং উপভোক্তা পরিষেবা আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়।
পরিবারভিত্তিক তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ এবং একটি একীভূত প্ল্যাটফর্মে সংগঠিত করার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল উপভোক্তা তথ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও আরও দক্ষ করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন পোর্টাল এক নজরে
| পোর্টালের নাম | পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল |
| প্রকল্প | অন্নপূর্ণা যোজনা |
| রাজ্য | পশ্চিমবঙ্গ |
| আবেদনের পদ্ধতি | অনলাইন |
| সিটিজেন পোর্টাল | উপলব্ধ |
| আবেদনকারী লগইন | উপলব্ধ |
| দপ্তরের কর্মকর্তা লগইন | উপলব্ধ |
| সরকারি ওয়েবসাইট | socialregistry.wb.gov.in |
সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনায় অনলাইনে কীভাবে আবেদন করবেন?
যোগ্য আবেদনকারীরা সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। সিটিজেন পোর্টালে প্রবেশ করে ওটিপি (OTP) যাচাই সম্পন্ন করার পর আবেদনকারীদের নিবন্ধন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরিবারের তথ্য, পরিচয়, আর্থিক অবস্থা এবং সামাজিক তথ্যসহ প্রয়োজনীয় বিবরণ প্রদান করতে হবে।
- সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল-এ যান এবং Access in Citizen Portal অপশনে ক্লিক করুন।

- আপনার জেলা নির্বাচন করুন এবং নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর লিখুন।

- মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত ওটিপি লিখে যাচাইকরণ সম্পন্ন করুন।

- সফলভাবে লগইন করার পর আবেদনপত্রটি আপনার স্ক্রিনে খুলে যাবে।

- নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি নিম্নলিখিত ছয়টি ধাপে সম্পন্ন করতে হবে:
- প্রাথমিক তথ্য
- রেশন কার্ডের তথ্য
- সম্পদের তথ্য
- আয় ও পেশার তথ্য
- অন্যান্য পরিচয়পত্রের তথ্য
- সরকারি প্রকল্পের সুবিধার তথ্য
- প্রতিটি ধাপের তথ্য সম্পূর্ণ করার পরেই আবেদনকারী চূড়ান্ত ঘোষণা সম্পন্ন করে আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।
- প্রথম ধাপে আবেদনকারীকে পারিবারিক পরিচয়ের তথ্য প্রদান করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে:
- পরিবারের প্রধানের নাম
- জন্মতারিখ
- লিঙ্গ
- আধার নম্বর
- ডিজিটাল রেশন কার্ডের
- আবাসিক ঠিকানা
- মোবাইল নম্বর
- পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা
- এরপর আবেদনকারীকে পরিবারের সকল সদস্যের নিম্নলিখিত তথ্য প্রদান করতে হবে:
- নাম
- জন্মতারিখ
- লিঙ্গ
- পরিবারের প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক
- আধার নম্বর
- পরিবারের প্রধান এবং প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নিম্নলিখিত তথ্য প্রদান করুন:
- ব্যাংকের নাম
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর
- আইএফএসসি কোড
- আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য
- ভোটার-সংক্রান্ত নিম্নলিখিত তথ্য প্রদান করুন:
- ইপিক বা ভোটার পরিচয়পত্র নম্বর
- বিধানসভা কেন্দ্রের তথ্য
- ভোটার তালিকার পার্ট নম্বর
- আপনার প্রযোজ্য সামাজিক শ্রেণি নির্বাচন করুন:
- সাধারণ
- অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণি
- তফসিলি জাতি
- তফসিলি উপজাতি
- অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি
- বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ উপজাতি গোষ্ঠী
- পরবর্তী ধাপে রেশন কার্ডের তথ্য প্রদান করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে:
- ডিজিটাল রেশন কার্ড রয়েছে কি না
- রেশন কার্ডের শ্রেণি, যেমন অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা, অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পরিবার, বিশেষ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পরিবার, রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্প-১, রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্প-২ অথবা অভর্তুকিপ্রাপ্ত রেশন কার্ড
- প্রতি মাসে রেশন গ্রহণের অবস্থা
- সম্পদের তথ্য অংশে আবেদনকারীকে নিম্নলিখিত তথ্য প্রদান করতে হবে:
- বাড়িতে পাকা কক্ষের সংখ্যা
- জমির মালিকানার তথ্য
- পরিবারের সদস্যদের মোট জমির পরিমাণ
- যানবাহনের মালিকানার তথ্য
- চার চাকার যানবাহনের তথ্য (যদি প্রযোজ্য হয়)
- স্বাস্থ্য বিমার তথ্য
- আয় ও পেশার তথ্য অংশে নিম্নলিখিত তথ্য প্রদান করতে হবে:
- আয়কর বা পেশা কর প্রদানের অবস্থা
- পরিবারের সদস্যদের স্থায়ী হিসাব নম্বরের তথ্য
- প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের কর্মসংস্থানের অবস্থা
- সরকারি চাকরির তথ্য (যদি প্রযোজ্য হয়)
- বেসরকারি চাকরির তথ্য
- স্বনিযুক্তির তথ্য
- পরিবারের মোট বার্ষিক আয়ের তথ্য
- শিক্ষা ও সামাজিক তথ্য অংশে নিম্নলিখিত তথ্য প্রদান করতে হবে:
- প্রাপ্তবয়স্ক পরিবারের সদস্যদের সাক্ষরতার অবস্থা
- সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা
- সন্তানদের বিদ্যালয়-সংক্রান্ত তথ্য
- সন্তানদের টিকাকরণের অবস্থা
- অন্যান্য পরিচয়পত্রের তথ্য অংশে আবেদনকারীকে নিম্নলিখিত তথ্য প্রদান করতে হতে পারে:
- স্থায়ী হিসাব নম্বরের তথ্য
- নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অধীনে আবেদনের অবস্থা
- কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের তথ্য
- কারিগর ঋণ কার্ডের তথ্য
- ছাত্র ঋণ কার্ডের তথ্য
- প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত অন্যান্য পরিচয়পত্র বা উপভোক্তা কার্ডের তথ্য
- সামাজিক অবস্থা ও নির্ভরশীল সদস্যদের তথ্য অংশে পরিবারের বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিশুদের তথ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, শ্রেণি এবং শিশুদের টিকাকরণের তথ্য প্রদান করতে হবে।
- সরকারি প্রকল্পের সুবিধার তথ্য অংশে পরিবারের সদস্যরা ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে বর্তমানে যেসব সরকারি কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, তার বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করতে হবে।
- আবেদনপত্র চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন এবং নিশ্চিত করুন যে সেগুলি সরকারি নথিতে থাকা তথ্যের সঙ্গে মিল রয়েছে।
- সমস্ত তথ্য যাচাই করার পর ঘোষণাপত্রে সম্মতি প্রদান করে আবেদনপত্র জমা দিন এবং ভবিষ্যতের জন্য আবেদন গ্রহণের রসিদ বা স্বীকৃতি নম্বর সংরক্ষণ করে রাখুন।
যেহেতু আবেদনপত্রটি পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই অনলাইন আবেদন শুরু করার আগে আবেদনকারীদের আধার নম্বর, রেশন কার্ডের তথ্য, ভোটার পরিচয়পত্রের তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, আয়ের তথ্য এবং পরিবারের সকল সদস্যের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত রাখা উচিত।
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদনপত্রের ধাপসমূহ
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদনপত্রটি সাতটি ধাপে বিভক্ত। আবেদনকারীদের চূড়ান্ত ঘোষণা এবং আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে প্রতিটি ধাপ সম্পূর্ণ করতে হবে।
| ধাপ | যে তথ্য সংগ্রহ করা হয় |
|---|---|
| ধাপ ১ | পারিবারিক পরিচয়ের তথ্য |
| ধাপ ২ | রেশন কার্ডের তথ্য |
| ধাপ ৩ | সম্পদের তথ্য |
| ধাপ ৪ | আয় ও পেশার তথ্য |
| ধাপ ৫ | অন্যান্য পরিচয়পত্রের তথ্য |
| ধাপ ৬ | সামাজিক অবস্থা ও নির্ভরশীল সদস্যদের তথ্য |
| ধাপ ৭ | সরকারি প্রকল্পের সুবিধার তথ্য |
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য
- আবেদনকারীর নাম
- জন্মতারিখ
- লিঙ্গ
- মোবাইল নম্বর
- আধার নম্বর
- ভোটার পরিচয়পত্র নম্বর
- রেশন কার্ডের তথ্য
- পরিবারের সদস্যদের তথ্য
- আবাসিক ঠিকানা
- ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য
- সামাজিক শ্রেণির তথ্য
- পোর্টালে চাওয়া অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে কারা আবেদন করতে পারবেন?
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে আবেদনকারীদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে তারা প্রকল্পের নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করেন। সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইন আবেদন করা গেলেও, আবেদন অনুমোদন সম্পূর্ণভাবে যোগ্যতার শর্ত এবং জমা দেওয়া তথ্য ও নথিপত্রের যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করবে।
যোগ্যতার শর্তাবলি
নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণকারী মহিলা উপভোক্তারা অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন:
- আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- শুধুমাত্র মহিলারাই অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
- আবেদনকারীর বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
- ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) মাধ্যমে অর্থ পাওয়ার জন্য আবেদনকারীর আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
- লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের বর্তমান যোগ্য উপভোক্তাদের কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের পর অন্নপূর্ণা যোজনায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
- যেসব উপভোক্তা এসআইআর ট্রাইব্যুনালে আপিল করেছেন অথবা নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইনের অধীনে আবেদন করেছেন, তারা প্রযোজ্য সরকারি বিধান অনুযায়ী এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন।
কারা আবেদন করার যোগ্য নন?
নিম্নলিখিত যেকোনো শ্রেণির আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য অযোগ্য হতে পারেন:
- ২৫ বছরের কম বয়সী মহিলা।
- ৬০ বছরের বেশি বয়সী মহিলা।
- স্থায়ী সরকারি কর্মচারী।
- নিয়মিত সরকারি বেতনপ্রাপ্ত মহিলা।
- নিয়মিত সরকারি পেনশনপ্রাপ্ত ব্যক্তি।
- আয়কর প্রদানকারী ব্যক্তি।
- পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা নন এমন ব্যক্তি।
- ভুল তথ্য বা জাল নথি জমা দেওয়া আবেদনকারী।
- যাচাইয়ের সময় অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত উপভোক্তা।
আবেদনকারীদের অনলাইন নিবন্ধন সম্পন্ন করার আগে নিজেদের যোগ্যতা ভালোভাবে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে যাচাইয়ের সময় আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র
অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার আগে আবেদনকারীদের নিম্নলিখিত নথিগুলি প্রস্তুত রাখা উচিত। আবেদনপত্রে প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে যাচাইয়ের সময় প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু নথি জমা দিতে হতে পারে।
- আধার কার্ড
- ভোটার পরিচয়পত্র
- রেশন কার্ড
- ব্যাংক পাসবই
- মোবাইল নম্বর
- আবাসিক প্রমাণপত্র
- আয়ের শংসাপত্র
- পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি
- পরিবারের সদস্যদের তথ্য
- জাতি শংসাপত্র (যদি প্রযোজ্য হয়)
- প্রতিবন্ধী শংসাপত্র (যদি প্রযোজ্য হয়)
- বিধবা শংসাপত্র (যদি প্রযোজ্য হয়)
অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনকারী লগইন প্রক্রিয়া
বর্তমানে সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালে আবেদনকারীরা ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদনপত্রে প্রবেশ করতে পারেন। তবে আবেদনকারীদের জন্য পৃথক কোনো উপভোক্তা ড্যাশবোর্ড এখনও চালু করা হয়নি। ভবিষ্যতে পোর্টালের পরিষেবা সম্প্রসারিত হলে লগইন-ভিত্তিক অতিরিক্ত সুবিধা চালু করা হতে পারে।
যদি ভবিষ্যতে আবেদনকারীদের জন্য পৃথক লগইন সুবিধা চালু করা হয়, তাহলে নিবন্ধিত উপভোক্তারা সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের মাধ্যমে তাদের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে আবেদন-সংক্রান্ত পরিষেবা এবং উপভোক্তার তথ্য পরিচালনা করতে পারবেন।
- সরকারি সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালে যান।
- আবেদনকারী লগইন বিভাগে প্রবেশ করুন।
- প্রয়োজন হলে আপনার জেলা নির্বাচন করুন।
- নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর অথবা সরকার নির্ধারিত অন্যান্য লগইন তথ্য লিখুন।
- ওটিপি অথবা অন্যান্য নির্ধারিত যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
- উপভোক্তার অ্যাকাউন্ট বা ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করুন।
- আবেদন-সংক্রান্ত তথ্য এবং উপভোক্তার বিবরণ দেখুন।
- আবেদনের বর্তমান অবস্থা এবং যাচাইয়ের অগ্রগতি পরীক্ষা করুন।
- পরিষেবা চালু হলে অর্থপ্রদান-সংক্রান্ত তথ্য দেখুন।
- পোর্টালে উপলব্ধ অন্যান্য প্রকল্প-সংক্রান্ত পরিষেবা ব্যবহার করুন।
আবেদনকারীদের মনে রাখতে হবে যে, ভবিষ্যতে পোর্টালে নতুন পরিষেবা যুক্ত হওয়া বা সরকারি নির্দেশিকা পরিবর্তনের ভিত্তিতে লগইন পদ্ধতি, যাচাইকরণ প্রক্রিয়া এবং উপলব্ধ পরিষেবাগুলিতে পরিবর্তন হতে পারে।
অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনের বর্তমান অবস্থা কীভাবে দেখবেন?
বর্তমানে সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের মাধ্যমে আবেদনকারীরা অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। তবে উপভোক্তাদের জন্য পৃথকভাবে আবেদনপত্রের বর্তমান অবস্থা দেখার সুবিধা এখনও চালু করা হয়নি। ভবিষ্যতে আবেদনকারীরা যাতে তাদের আবেদনের অগ্রগতি সহজে জানতে পারেন, সে জন্য সরকার এই সুবিধা চালু করতে পারে।
আবেদনপত্রের বর্তমান অবস্থা দেখার সুবিধা চালু হলে আবেদনকারীরা নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় যাচাইকরণ তথ্য ব্যবহার করে সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের মাধ্যমে তাদের আবেদনের অগ্রগতি দেখতে পারবেন।
আবেদনপত্রের বর্তমান অবস্থা দেখার সুবিধা চালু হলে আবেদনকারীরা নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি ব্যবহার করতে পারবেন:
- আবেদনপত্র সফলভাবে জমা হয়েছে কি না তা যাচাই করা।
- আবেদন যাচাইয়ের অগ্রগতি দেখা।
- আবেদন অনুমোদিত হয়েছে নাকি বাতিল হয়েছে তা জানা।
- নথিপত্র যাচাইয়ের সর্বশেষ অবস্থা দেখা।
- প্রয়োজনীয় সংশোধন বা ঘাটতি সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তি গ্রহণ করা।
- পোর্টালের মাধ্যমে উপভোক্তা-সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য দেখা।
আবেদনকারীদের আবেদনপত্রের বর্তমান অবস্থা এবং অন্যান্য উপভোক্তা-সংক্রান্ত পরিষেবার সর্বশেষ তথ্য জানতে নিয়মিত সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল ব্যবহার করা এবং সরকারের সরকারি ঘোষণাগুলি অনুসরণ করা উচিত।
সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালে কি অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থপ্রদানের অবস্থা দেখা যায়?
পশ্চিমবঙ্গ সরকার ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদান শুরু করেছে। ৩ জুন ২০২৬ তারিখে প্রথম কিস্তির অর্থ ২৮ লক্ষেরও বেশি যোগ্য মহিলার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। এরপর ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে দ্বিতীয় কিস্তি প্রকাশ করা হয়, যার মাধ্যমে প্রায় ১.৩ কোটি যোগ্য মহিলা ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পান। এরপর থেকেই বহু উপভোক্তা অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থপ্রদানের অবস্থা, কিস্তির তথ্য এবং অনলাইনে অর্থপ্রদান যাচাইয়ের সুবিধা সম্পর্কে জানতে আগ্রহী।
বর্তমানে সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালে অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থপ্রদানের অবস্থা দেখার জন্য কোনো পৃথক অনলাইন সুবিধা নেই। তাই উপভোক্তারা সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে কিস্তির তথ্য, অর্থপ্রদানের ইতিহাস বা ডিবিটি জমার অবস্থা দেখতে পারবেন না।
সরকারিভাবে অর্থপ্রদানের অবস্থা দেখার সুবিধা চালু না হওয়া পর্যন্ত উপভোক্তারা তাদের আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ব্যাংক পাসবই, ব্যাংকের এসএমএস, এটিএম-এর ক্ষুদ্র বিবরণী, মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখার মাধ্যমে কিস্তির অর্থ জমা হয়েছে কি না তা যাচাই করতে পারবেন।
ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থপ্রদানের অবস্থা দেখার জন্য একটি অনলাইন সুবিধা চালু করতে পারে। সেই সুবিধা চালু হলে উপভোক্তারা সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে কিস্তির বিবরণ, অর্থপ্রদানের তারিখ, ডিবিটি লেনদেনের অবস্থা এবং অর্থপ্রদান-সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য দেখতে পারবেন।
ভবিষ্যতে পোর্টালের মাধ্যমে কোন কোন পরিষেবা উপলব্ধ হতে পারে?
সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালটি অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের জন্য প্রধান ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিবন্ধিত আবেদনকারীরা তাদের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন।
| পরিষেবা | উদ্দেশ্য |
|---|---|
| অনলাইন আবেদন | উপভোক্তার আবেদন জমা দেওয়া। |
| আবেদনকারীর ড্যাশবোর্ড | অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত তথ্য দেখা। |
| আবেদনের বর্তমান অবস্থা | আবেদনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা। |
| প্রোফাইল পরিচালনা | ব্যক্তিগত তথ্য হালনাগাদ করা। |
| নথি পরিচালনা | প্রয়োজনীয় নথি আপলোড বা হালনাগাদ করা। |
| বিজ্ঞপ্তি | গুরুত্বপূর্ণ আপডেট গ্রহণ করা। |
| যাচাইয়ের অগ্রগতির তথ্য | যাচাই প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা। |
আবেদনকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
- শুধুমাত্র সরকারি সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল ব্যবহার করুন।
- আবেদনপত্রে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য প্রদান করুন।
- আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর সক্রিয় রাখুন।
- কোনো ব্যক্তির সঙ্গে ওটিপি শেয়ার করবেন না।
- আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদন গ্রহণের রসিদ বা স্বীকৃতি নম্বর সংরক্ষণ করুন।
- নিয়মিত সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল পরিদর্শন করে সর্বশেষ আপডেট দেখুন।
গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ
Frequently Asked Questions
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদনের সরকারি পোর্টাল হলো পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল। যোগ্য আবেদনকারীরা এই পোর্টালের সিটিজেন পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনকারীরা socialregistry.wb.gov.in-এ অবস্থিত সরকারি সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার সিটিজেন পোর্টালে প্রবেশ করতে পারবেন।
আবেদনকারীরা সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালে গিয়ে "সিটিজেন পোর্টালে আবেদন করুন" বিকল্পটি নির্বাচন করে, ওটিপি (OTP) যাচাইকরণ সম্পন্ন করে এবং প্রয়োজনীয় পারিবারিক ও উপভোক্তার তথ্য দিয়ে অনলাইন আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।
হ্যাঁ। আবেদনকারীর আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা উচিত, কারণ এই প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
আবেদন করার সময় আবেদনকারীকে পরিবারের পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য, আধার নম্বর, রেশন কার্ডের তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, ভোটার পরিচয়পত্রের তথ্য, আয়ের তথ্য, পেশার তথ্য এবং পরিবারের সকল সদস্যের তথ্য দিতে হতে পারে।
বর্তমানে সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালে পেমেন্ট স্ট্যাটাস দেখার জন্য আলাদা কোনো সুবিধা নেই। উপভোক্তারা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পাসবই অথবা ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত এসএমএসের মাধ্যমে টাকা জমা হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে পারেন।
অন্নপূর্ণা যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা ৩ জুন ২০২৬ তারিখে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছিল।
না, অন্নপূর্ণা যোজনায় নিবন্ধন করার জন্য কোনো ফি দিতে হয় না।
যদি আপনি এখনো কিস্তির টাকা না পেয়ে থাকেন, তাহলে প্রথমে নিশ্চিত করুন যে আপনার আবেদন অনুমোদিত হয়েছে এবং ডিবিটি (DBT)-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়ার জন্য আপনার আধার নম্বর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। সাধারণত ডিবিটির মাধ্যমে টাকা পাঠানোর পর তা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছাতে ১ থেকে ২ দিন সময় লাগতে পারে।
না। বর্তমানে সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালে অন্নপূর্ণা যোজনার পেমেন্ট স্ট্যাটাস অনলাইনে দেখার কোনো সুবিধা নেই।
নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন