- যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে ₹৩,০০০ করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
- এই টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
- এই স্কিম মহিলাদের আর্থিকভাবে আরও স্বনির্ভর হতে সাহায্য করতে পারে।
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমের যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য বর্তমানে উপলব্ধ নয়।
প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |
|---|---|
| প্রকল্পের নাম | পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা যোজনা |
| চালুর তারিখ | ১ জুন ২০২৬ |
| সুবিধা | প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা |
| উপভোক্তা | পশ্চিমবঙ্গের যোগ্য মহিলা বাসিন্দারা |
| নোডাল সংস্থা | মহিলা ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দপ্তর |
| সাবস্ক্রিপশন | প্রকল্প সম্পর্কিত আপডেট পেতে এখানে সাবস্ক্রাইব করুন |
| আবেদনের পদ্ধতি |
|
প্রকল্প পরিচিতি: সংক্ষিপ্ত বিবরণ
পশ্চিমবঙ্গের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়। এই টাকা ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT)-এর মাধ্যমে উপভোক্তার আধার-লিঙ্কযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। মহিলারা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী এই টাকা সংসারের খরচে ব্যবহার করতে পারেন।
এই প্রকল্পটি এখন সরকারি ভাবে অন্নপূর্ণা যোজনা নামে চালু রয়েছে। আগে এটি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নামে পরিচিত ছিল এবং রাজ্যের যোগ্য মহিলাদের মাসিক আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প-এর পরিবর্তে নতুন ব্যবস্থার অংশ হয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের যোগ্য উপভোক্তাদের যাচাইয়ের পর নতুন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। অন্যান্য যোগ্য মহিলারাও নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন করতে পারেন।
পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারেন। আবেদনকারীর ব্যক্তিগত মাসিক আয় ১০,০০০ টাকার বেশি হওয়া যাবে না এবং পরিবারের বার্ষিক আয় ১২ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে হবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের যোগ্য উপভোক্তারাও যাচাইয়ের পরে এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন।
অন্য সরকারি সহায়তা পাওয়া কিছু মহিলাকেও নতুন নিয়ম অনুযায়ী অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে। অন্য কোনও ভাতা থেকে মাসে ৩,০০০ টাকার কম পাওয়া মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে প্রতিবন্ধী ভাতা বা PM-KISAN-এর সুবিধা পাওয়া মহিলারাও সেই সুবিধার পাশাপাশি অন্নপূর্ণা যোজনার সহায়তা পেতে পারেন।
আগের উপভোক্তা তালিকায় সংশোধন বা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন থাকা কিছু ঘটনা চিহ্নিত করার পর উপভোক্তা অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া চলছে। এখনও পর্যন্ত ১.৭০ কোটিরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। নতুন শিথিল নিয়মের মাধ্যমে আগে বাদ পড়া যোগ্য মহিলাদেরও প্রকল্পের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্রের জন্য নির্ধারিত বাংলা বা ইংরেজি ফর্ম ব্যবহার করা যেতে পারে। অনলাইন আবেদন পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল-এর মাধ্যমে করা যায়। তবে নাগরিকদের জন্য অনলাইন আবেদনের সুযোগ সব সময় খোলা নাও থাকতে পারে। তাই আবেদন করার আগে পোর্টালে বর্তমান আবেদন পরিষেবা চালু আছে কি না দেখে নেওয়া উচিত।
পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সুবিধাভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হচ্ছে। যোগ্য উপভোক্তারা DBT-এর মাধ্যমে ৩,০০০ টাকা তাঁদের আধার-লিঙ্কযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাবেন। তাই আসন্ন কিস্তি পাওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় এবং সঠিকভাবে আধারের সঙ্গে লিঙ্ক করা আছে কি না নিশ্চিত করা উচিত।
সর্বশেষ আপডেট
পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর কিস্তি দেওয়া শুরু করেছে। যোগ্য মহিলারা সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতি মাসে ₹৩,০০০ আর্থিক সহায়তা পাবেন।
প্রায় ১.৫৮ কোটি যোগ্য মহিলা সেপ্টেম্বর মাসের কিস্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখটি অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে এবং এই দিন থেকেই সেপ্টেম্বর মাসের আর্থিক সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে। যোগ্য সুবিধাভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি সেপ্টেম্বর মাসের টাকা পাঠানো হচ্ছে।
প্রকল্পের সুবিধাসমূহ
- যোগ্য মহিলা উপভোক্তারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন।
- আর্থিক সহায়তার অর্থ DBT-এর মাধ্যমে সরাসরি আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
- এই প্রকল্প মহিলাদের বাজার খরচ এবং দৈনন্দিন পারিবারিক প্রয়োজন মেটাতে সহায়তা করতে পারে।
- উপভোক্তারা এই অর্থ সন্তানের পড়াশোনা ও চিকিৎসা খরচের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
- যোগ্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার উপভোক্তাদের যাচাইকরণের পর অন্নপূর্ণা যোজনায় স্থানান্তর করা হতে পারে।
- এই প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মহিলাদের আর্থিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়েছে।
যোগ্যতার শর্তাবলি
অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে আবেদনকারীদের উচিত প্রকল্পের নির্ধারিত যোগ্যতার শর্তগুলি ভালোভাবে যাচাই করা। শুধুমাত্র সেইসব যোগ্য মহিলা উপভোক্তারা সফল যাচাইকরণের পর এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, যারা বাসস্থান, বয়স এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করেন।
- আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারাই এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য হতে পারেন।
- মহিলার ব্যক্তিগত মাসিক আয় ১০,০০০ টাকার বেশি হওয়া যাবে না।
- পরিবারের বার্ষিক আয় ১২ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া যাবে না।
- অন্য কোনও সরকারি ভাতা থেকে মাসে ৩,০০০ টাকার কম পাওয়া মহিলারাও অন্নপূর্ণা যোজনার সহায়তার জন্য বিবেচিত হতে পারেন।
- যোগ্য প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপক মহিলারা উভয় সুবিধাই পেতে পারেন।
- PM-KISAN-এর সুবিধাভোগীরাও তাঁদের বর্তমান সুবিধার পাশাপাশি অন্নপূর্ণা যোজনার সহায়তা পেতে পারেন।
- গ্রামীণ মহিলাদের ক্ষেত্রে তিনটি ঘরের শর্ত প্রযোজ্য নয়। তাই তিনটির বেশি ঘর থাকার কারণে তাঁরা অযোগ্য হবেন না।
- গ্রামীণ এলাকা এবং কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশন এলাকায় জমির মালিকানা সংক্রান্ত কিছু শর্ত শিথিল করা হয়েছে।
- লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের বর্তমান যোগ্য উপভোক্তাদের যাচাইয়ের পর অন্নপূর্ণা যোজনায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
- SIR ট্রাইব্যুনালে আপিল করা বা নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইনের অধীনে আবেদন করা মহিলারা তাঁদের মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সুবিধা পেতে পারেন।
অযোগ্যতার শর্তাবলি
অন্নপূর্ণা যোজনার নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ না করলে আবেদনকারীরা প্রকল্পের সুবিধা নাও পেতে পারেন। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে মহিলা আবেদনকারীদের বর্জনের শর্তগুলি ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।
- ২৫ বছরের কম বা ৬০ বছরের বেশি বয়সি মহিলারা যোগ্য নন।
- স্থায়ী সরকারি চাকরিতে থাকা মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
- নিয়মিত সরকারি বেতন বা পেনশন পাওয়া মহিলারা যোগ্য নন।
- নির্দিষ্ট সরকারি সংস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান, পঞ্চায়েত, পুরসভা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মহিলারা যোগ্য নন।
- ব্যক্তিগত মাসিক আয় ১০,০০০ টাকার বেশি হলে আবেদনকারী যোগ্য নন।
- পরিবারের বার্ষিক আয় ১২ লক্ষ টাকার বেশি হলে এবং আয়কর দিতে হলে সেই পরিবার প্রকল্পের সুবিধা পাবে না।
- পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা নন এমন মহিলারা আবেদন করতে পারবেন না।
- প্রযোজ্য অ-গ্রামীণ এলাকায় পরিবারের তিনটির বেশি ঘর থাকলে আবেদনকারী বাদ পড়তে পারেন। তবে গ্রামীণ মহিলাদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।
- যাচাইয়ের সময় কোনও উপভোক্তাকে মৃত, অন্যত্র চলে যাওয়া, ডুপ্লিকেট, তালিকা থেকে বাদ দেওয়া বা অন্য কোনও কারণে অযোগ্য পাওয়া গেলে তাঁকে বাদ দেওয়া হতে পারে।
- ভুল তথ্য বা জাল নথি দিয়ে আবেদন করলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
- আবেদনকারী বা তাঁর পরিবারের কোনও সদস্যের GSTIN থাকলে তাঁরা প্রকল্পের জন্য যোগ্য নাও হতে পারেন।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র
- আধার কার্ড
- বাসস্থানের প্রমাণপত্র
- ভোটার আইডি কার্ড
- ব্যাঙ্ক পাসবুক
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- মোবাইল নম্বর
- আয় সংক্রান্ত নথি, যদি প্রয়োজন হয়
- রেজিস্ট্রেশনের সময় সরকার নির্ধারিত অতিরিক্ত নথি, যদি চাওয়া হয়
আবেদন করার ধাপসমূহ
যোগ্য মহিলা উপভোক্তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার জন্য অনলাইন এবং অফলাইন, উভয় পদ্ধতিতে আবেদন করতে পারবেন। কর্তৃপক্ষ ২৭ মে ২০২৬ তারিখে অফলাইন আবেদনপত্র প্রকাশ করেছে, আর অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার অনলাইন আবেদন সুবিধা ৩ জুন ২০২৬ থেকে চালু হয়েছে।
দ্রষ্টব্য: যেসব আবেদনকারী ৩ জুন ২০২৬ তারিখে অনলাইনে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র সফলভাবে জমা দিয়েছিলেন, তাদের নতুন চালু হওয়া আবেদনপত্রের বিন্যাস ব্যবহার করে পুনরায় আবেদন জমা দিতে হবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনা অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পোর্টাল-এ প্রবেশ করুন।
- আপনার স্ক্রিনে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনা পোর্টাল প্রদর্শিত হবে।
- হোমপেজে থাকা "Access Citizen Portal" অপশনে ক্লিক করুন।

- এরপর আপনি একটি নতুন পৃষ্ঠায় চলে যাবেন, যেখানে তালিকা থেকে আপনার জেলা নির্বাচন করতে হবে।

- নির্ধারিত স্থানে আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর লিখুন।
- OTP অপশনে ক্লিক করুন এবং যাচাইকরণ সম্পন্ন করার জন্য আপনার মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত OTP প্রবেশ করান।

- OTP যাচাইকরণ সম্পন্ন হওয়ার পর আপনার স্ক্রিনে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার অনলাইন আবেদনপত্র খুলে যাবে।

- আবেদনপত্রটি সাতটি বিভাগে বিভক্ত থাকবে, যার মধ্যে রয়েছে মৌলিক তথ্য (Basic Information), রেশন কার্ডের তথ্য, সম্পদের তথ্য, আয় ও পেশার তথ্য, পরিচয়পত্রের তথ্য, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা এবং পারিবারিক পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য।
- প্রথমে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যেমন নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, শ্রেণি, আধার নম্বর, ভোটার কার্ডের তথ্য, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য পূরণ করুন।
- প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের তথ্য যুক্ত করার জন্য "Add Member" অপশনে ক্লিক করুন।
- পরিবারের তথ্য, রেশন কার্ডের তথ্য, সম্পদের তথ্য, আয়, পরিচয়পত্র এবং সরকারি প্রকল্প-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে বাকি বিভাগগুলো সম্পূর্ণ করুন।
- চূড়ান্তভাবে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে প্রদত্ত সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করুন।
- ঘোষণাপত্র এবং সম্মতি বিবৃতি ভালোভাবে পড়ুন এবং প্রয়োজনীয় চেকবক্সে টিক চিহ্ন দিন।
- অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে "Submit" বাটনে ক্লিক করুন।
- আবেদন সফলভাবে জমা হওয়ার পর ভবিষ্যতে আবেদন স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং এবং যাচাইকরণের জন্য আবেদন রেফারেন্স নম্বরটি সংরক্ষণ করুন বা লিখে রাখুন।

অফলাইন আবেদন প্রক্রিয়া
যোগ্য আবেদনকারীরা নিচে দেওয়া ধাপগুলি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট BDO অফিস অথবা SDO অফিসের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য অফলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
- সংশ্লিষ্ট BDO অফিস অথবা SDO অফিসে গিয়ে আবেদনপত্র সংগ্রহ করুন।
- আপনি এখান থেকেও অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে পারেন :-
- আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে পূরণ করুন।
- আধার কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংযুক্ত করুন।
- পূরণ করা আবেদনপত্র নির্ধারিত অফিসে জমা দিন।
- সুবিধা অনুমোদনের আগে সরকারি আধিকারিকরা জমা দেওয়া তথ্য ও নথিপত্র যাচাই করতে পারেন।
- ভবিষ্যতের রেফারেন্স এবং আবেদন স্ট্যাটাস দেখার জন্য অ্যাকনলেজমেন্ট রসিদ নিরাপদে সংরক্ষণ করুন।
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন রেজিস্ট্রেশনে প্রয়োজনীয় তথ্য
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদনপত্র পূরণের সময় আবেদনকারীদের রেজিস্ট্রেশনের বিভিন্ন ধাপে নিম্নলিখিত তথ্য প্রদান করতে হতে পারে:
- মৌলিক তথ্য: নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, শ্রেণি, আধার নম্বর, ভোটার কার্ড নম্বর, মোবাইল নম্বর, ঠিকানা, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ এবং পরিবারের সদস্যদের তথ্য।
- রেশন কার্ডের তথ্য: ডিজিটাল রেশন কার্ড নম্বর, রেশন কার্ডের শ্রেণি এবং পরিবারের প্রাপ্ত মাসিক রেশন সুবিধার বিবরণ।
- সম্পদের তথ্য: বাড়ির বিবরণ, কক্ষের সংখ্যা, জমির মালিকানার তথ্য, জমির পরিমাণ, যানবাহনের মালিকানার বিবরণ এবং স্বাস্থ্যবিমা সংক্রান্ত তথ্য।
- আয় ও পেশার তথ্য: কর্মসংস্থানের অবস্থা, পেশার বিবরণ, বার্ষিক পারিবারিক আয়, PAN নম্বর, কর-সংক্রান্ত তথ্য, পেনশনের বিবরণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে GST নিবন্ধনের তথ্য।
- পরিচয়পত্রের তথ্য: আধার সংক্রান্ত তথ্য, EPIC (ভোটার আইডি) তথ্য, CAA-সংক্রান্ত তথ্য (যদি প্রযোজ্য হয়) এবং অন্যান্য পরিচয়পত্র বা ঋণ-সংক্রান্ত নথির বিবরণ।
- সরকারি প্রকল্পের তথ্য: অন্যান্য সরকারি কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধার তথ্য।
- পারিবারিক পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য: পরিবারের সদস্যদের বিবরণ, পরিবারের প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক, সন্তানের শিক্ষার তথ্য, টিকাকরণের রেকর্ড এবং যাচাইকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ঘোষণাপত্রের তথ্য।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনে ভুল তথ্য কীভাবে সংশোধন করবেন?
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে আবেদনকারীদের সমস্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা উচিত। আবেদনপত্র একবার জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীরা তাদের নাগরিক লগইনের মাধ্যমে কোনো তথ্য সম্পাদনা বা হালনাগাদ করতে পারবেন না। তবে যদি কোনো ভুল তথ্য জমা হয়ে থাকে, তাহলে নিচের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা যেতে পারে।
- যদি আপনি ইতিমধ্যে সফলভাবে আবেদনপত্র জমা দিয়ে থাকেন, তাহলে পুনরায় আরেকটি আবেদনপত্র জমা দেবেন না।
- আপনার নিকটবর্তী বিডিও অফিস (ব্লক উন্নয়ন অফিস) অথবা এসডিও অফিস (মহকুমা অফিস)-এ যান।
- আপনার আবেদনপত্রে প্রবেশ করা ভুল তথ্য সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানান।
- আপনার অস্থায়ী আবেদন পরিচয় নম্বর অথবা আবেদন গ্রহণের রসিদের বিবরণ সঙ্গে নিয়ে যান।
- সংশোধনের অনুরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় সহায়ক নথিপত্র সঙ্গে রাখুন।
- কর্মকর্তারা অস্থায়ী আবেদন পরিচয় নম্বরের মাধ্যমে আপনার আবেদনপত্র খুঁজে বের করতে পারবেন।
- নথিপত্র যাচাই করার পর, সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী অনুমতি থাকলে অনুমোদিত কর্মকর্তারা তাদের সরকারি লগইনের মাধ্যমে ভুল তথ্য সংশোধন করতে পারেন।
- আবেদনকারীদের যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে হবে এবং কর্তৃপক্ষের চাওয়া অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ: বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার পোর্টালে চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দেওয়ার পর নিজে থেকে তথ্য সংশোধন বা সম্পাদনার কোনো সুবিধা নেই। তাই আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে আধারের তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য, মোবাইল নম্বর, পারিবারিক তথ্য, রেশন কার্ডের তথ্য এবং অন্যান্য সকল তথ্য সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্রের অবস্থা
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে নিবন্ধিত আবেদনকারীরা সরকারি সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে তাদের আবেদনের বর্তমান অবস্থা যাচাই করতে পারবেন। নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন:
- সরকারি সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল খুলুন।
- "সিটিজেন পোর্টালে প্রবেশ করুন" বিকল্পে ক্লিক করুন।
- তালিকা থেকে আপনার জেলা নির্বাচন করুন।
- আবেদনের সময় ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর লিখুন।
- স্ক্রিনে প্রদর্শিত নিরাপত্তা যাচাইকরণ কোড পূরণ করুন।
- "ওটিপি পাঠান" বোতামে ক্লিক করুন।
- নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত এককালীন পাসওয়ার্ড লিখে প্রবেশ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
- সফলভাবে প্রবেশ করার পর পোর্টালে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনের বর্তমান অবস্থা প্রদর্শিত হবে।
- আপনার আবেদন অনুমোদিত হয়ে থাকলে "আবেদন অনুমোদিত" লেখা দেখা যাবে।

- যদি আবেদন অনুমোদিত না হয়ে থাকে, তাহলে "বাতিল" অথবা প্রযোজ্য অন্য কোনো বর্তমান অবস্থা প্রদর্শিত হবে।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার আপত্তি ও দাবি জানানোর সুবিধা
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার নাগরিক পোর্টালে আবেদন এবং সুবিধাভোগীর তথ্য সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য "আপত্তি ও দাবি" জানানোর সুবিধা রয়েছে। পোর্টালে প্রবেশ করার পর নিজের আবেদনের জন্য "আবেদনকারীর দাবি" এবং অন্য কোনও আবেদনকারী বা সুবিধাভোগীর বিষয়ে আপত্তি জানাতে "কারও বিরুদ্ধে আপত্তি" বিকল্প ব্যবহার করা যায়।

দুটি বিকল্পের উদ্দেশ্য আলাদা। দাবি জানানোর সুবিধা ব্যবহার করে আবেদনকারী নিজের আবেদনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বা পুনরায় বিবেচনার অনুরোধ করতে পারেন। অন্যদিকে, আপত্তি জানানোর সুবিধা ব্যবহার করে অন্য কোনও আবেদনকারী বা সুবিধাভোগীর বিষয়ে প্রাসঙ্গিক তথ্য জানানো যায়।
| আবেদনকারীর দাবি | কারও বিরুদ্ধে আপত্তি |
|---|---|
কখন দাবি জানাতে পারবেন?
| কখন আপত্তি জানাতে পারবেন? অন্য কোনও আবেদনকারী বা সুবিধাভোগীর বিষয়ে আপনার কাছে সত্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য থাকলে, যা আরও যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে, তখন এই বিকল্প ব্যবহার করতে পারেন। |
কীভাবে দাবি জানাবেন?
| কীভাবে আপত্তি জানাবেন?
|
আবেদন অস্থায়ীভাবে বাতিল হলে কী হবে?
যদি আপনার অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনের অবস্থায় "অস্থায়ীভাবে বাতিল" দেখা যায়, তাহলে এর অর্থ এই নয় যে আপনার আবেদন স্থায়ীভাবে বাতিল হয়েছে। ২০২৬ সালের ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত সরকারি পর্যালোচনা বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ ধরনের আবেদনগুলির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মাঠপর্যায়ে যাচাই করা হবে।
- যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, কারণ অস্থায়ীভাবে বাতিল হওয়া প্রতিটি আবেদন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে।
- সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আপনার তথ্য, নথিপত্র এবং প্রকল্পের যোগ্যতা যাচাই করার জন্য আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে অথবা আপনার বাড়িতে যেতে পারে।
- যাচাই চলাকালীন প্রয়োজন হলে যাচাইকারী দলের সঙ্গে সহযোগিতা করুন এবং প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র প্রস্তুত রাখুন।
- যাচাই শেষ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ সরকারি পোর্টালে তাদের সুপারিশ আপলোড করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে আপনার আবেদন অনুমোদিত অথবা চূড়ান্তভাবে বাতিল হতে পারে।
- সরকার সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ৭ দিনের মধ্যে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে।
- আপনি যদি জনকল্যাণ শিবির (জেকেএস) অথবা অন্য কোনো অনুমোদিত কেন্দ্রে অফলাইনে আবেদন করে থাকেন, তাহলে যাচাইয়ের পর সেই আবেদন ডিজিটাল রূপে সংরক্ষণ করে সরকারি পোর্টালে আপলোড করা হবে।
- সরকার যদি আপত্তি বা দাবি জানানোর সুবিধা চালু করে, তাহলে আপনার আবেদন পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করার সুযোগ পেতে পারেন।
- আপনার আধার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করুন, যাতে আবেদন অনুমোদিত হলে কোনো অর্থপ্রদান-সংক্রান্ত সমস্যা ছাড়াই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন।
- আধার বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে অর্থপ্রদান বিলম্বিত হলে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে সমস্যার সমাধান করবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পেমেন্টের অবস্থা
অনেক উপভোক্তা জানতে চান যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের কিস্তির অর্থ অনুমোদিত হয়েছে কি না অথবা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে কি না। বর্তমানে সরকার আবেদনকারী লগইন পোর্টালের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পেমেন্টের অবস্থা যাচাই করার কোনো অনলাইন সুবিধা চালু করেনি।
- বর্তমানে উপভোক্তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পেমেন্টের অবস্থা অনলাইনে দেখতে পারবেন না।
- আর্থিক সহায়তার অর্থ সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে উপভোক্তার আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে।
- কিস্তির অর্থ সফলভাবে জমা হলে উপভোক্তারা তাদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি ক্ষুদে বার্তা পাবেন।
- অর্থপ্রদান-সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পাওয়ার জন্য আবেদনকারীদের তাদের মোবাইল নম্বর সক্রিয় রাখতে হবে।
- উপভোক্তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে তাদের আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রয়েছে এবং ডিবিটি অর্থপ্রদান গ্রহণের জন্য উপযুক্ত।
- অনুমোদনের পরও অর্থপ্রদান না পেলে উপভোক্তারা সহায়তার জন্য নিকটবর্তী বিডিও অফিস বা এসডিও অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।
গুরুত্বপূর্ণ: বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পেমেন্টের অবস্থা যাচাই করার জন্য কোনো পৃথক অনলাইন সুবিধা উপলব্ধ নেই। কিস্তির অর্থ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার পর উপভোক্তাদের ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জানানো হবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার আবেদনকারী লগইনে প্রদর্শিত বিভিন্ন অবস্থা
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পোর্টালে প্রবেশ করার পর আবেদনকারীরা তাদের আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখতে পারবেন। এই অবস্থার মাধ্যমে জানা যায় আবেদনটি অনুমোদিত হয়েছে কি না, বাতিল হয়েছে কি না অথবা মাসিক আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা রয়েছে কি না। বর্তমানে পোর্টালে নিম্নলিখিত অবস্থাগুলি দেখা যেতে পারে:
আবেদন অনুমোদিত
যদি পোর্টালে "আবেদন অনুমোদিত" লেখা দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদন সফলভাবে যাচাই করেছে এবং আপনাকে প্রকল্পের জন্য যোগ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। সরকারের নির্ধারিত অর্থপ্রদানের সময়সূচি অনুযায়ী ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে আপনার আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা জমা হবে।
আবেদন বাতিল
আপনার আবেদনের অবস্থায় যদি "আবেদন প্রত্যাখ্যাত" দেখায়, তাহলে এর অর্থ হলো কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদনটি অনুমোদন করেনি। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের নাগরিক পোর্টালে এখন আবেদন প্রত্যাখ্যানের কারণও দেখানো হচ্ছে। এর ফলে আবেদনকারীরা কেন তাঁদের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে তা জানতে পারবেন এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারবেন। 
তদন্তাধীন
যদি আপনার আবেদনের অবস্থায় "তদন্তাধীন" লেখা দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে আবেদন বাতিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ বা আপত্তি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তর আপনার আবেদন পুনরায় যাচাই করছে। তদন্ত ও যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আবেদনের অবস্থা "আবেদন অনুমোদিত" অথবা "আবেদন বাতিল" হিসেবে হালনাগাদ করা হবে।
অর্থপ্রদান ব্যর্থ
যদি আপনার আবেদনের অবস্থায় "অর্থপ্রদান ব্যর্থ" লেখা দেখা যায়, তাহলে এর অর্থ হলো আপনার আবেদন অনুমোদিত হলেও মাসিক আর্থিক সহায়তার অর্থ আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা সম্ভব হয়নি। সাধারণত আধারের সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত না থাকা, ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) পরিষেবা সক্রিয় না থাকা অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত কোনো সমস্যার কারণে এমনটি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনার ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধান করুন, যাতে ভবিষ্যতের কিস্তির অর্থ কোনো বিলম্ব ছাড়াই গ্রহণ করতে পারেন।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে অনলাইনে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কীভাবে পরিবর্তন বা হালনাগাদ করবেন?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের বর্তমান উপভোক্তারা যারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা অন্য কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পেতে চান, তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে তাদের আধার সঠিক ও সক্রিয় ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
নিচে দেওয়া প্রক্রিয়াটি নতুন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনকারীদের জন্যও উপযোগী, যারা জানতে চান যে ডিবিটি সুবিধা পাওয়ার জন্য বর্তমানে তাদের আধার কার্ডের সঙ্গে কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত রয়েছে। উপভোক্তারা এনপিসিআই-এর ভারত আধার সংযুক্তিকরণ সহায়ক (বেস) পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে তাদের আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই এবং হালনাগাদ করতে পারেন।
যেসব মহিলার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে, বন্ধ হয়ে গেছে অথবা যারা অন্য কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রকল্পের সুবিধা পেতে চান, তারা ব্যাংক শাখায় না গিয়েই এই সুবিধার মাধ্যমে তাদের আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হালনাগাদ করতে পারবেন।
আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই করুন
- এনপিসিআই-এর বেস পোর্টাল-এ প্রবেশ করুন।
- গ্রাহক বিভাগ-এ ক্লিক করুন এবং "ভারত আধার সংযুক্তিকরণ সহায়ক (বেস)" নির্বাচন করুন।
- "আধার সংযুক্তি অবস্থা" অপশনে ক্লিক করুন।
- আপনার আধার নম্বর, ক্যাপচা কোড এবং আধার-সংযুক্ত মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত এককালীন গোপন সংকেত (ওটিপি) প্রবেশ করান।
- ডিবিটি সুবিধা পাওয়ার জন্য বর্তমানে আপনার আধারের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ সিস্টেমে প্রদর্শিত হবে।

আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হালনাগাদ করুন
- বেস পোর্টালে "আধার সংযুক্তিকরণ / সংযুক্তি অপসারণ" অপশনটি খুলুন।
- আপনার ব্যাংক নির্বাচন করুন এবং নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ প্রবেশ করান।
- একই ব্যাংকের অন্য অ্যাকাউন্টে পরিবর্তন অথবা অন্য ব্যাংকে আধার সংযুক্তি স্থানান্তরের জন্য উপযুক্ত অপশন নির্বাচন করুন।
- এককালীন গোপন সংকেত (ওটিপি) যাচাইকরণের মাধ্যমে অনুরোধটি নিশ্চিত করে জমা দিন।
- সফল যাচাইকরণের পর নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি ডিবিটি অর্থপ্রদান গ্রহণের জন্য সক্রিয় হয়ে যাবে।

অফিসিয়াল রেজিস্ট্রেশন পোর্টাল
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সরকারি পোর্টাল
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের অনলাইন আবেদন লিঙ্ক
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের বাংলা আবেদনপত্র
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ইংরেজি আবেদনপত্র
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের হিন্দি আবেদনপত্র
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সরকারি বিজ্ঞপ্তি
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যোগ বা পরিবর্তন করুন
- পশ্চিমবঙ্গ মহিলা ও শিশু উন্নয়ন দপ্তরের পোর্টাল
যোগাযোগ ও হেল্পলাইন নম্বর
- অন্নপূর্ণা যোজনা সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট BDO অফিস অথবা SDO অফিসে যোগাযোগ করুন।
- মহিলা ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দপ্তর
পশ্চিমবঙ্গ সরকার
ঠিকানা: বিকাশ ভবন, ১০ম তলা, ডিএফ ব্লক,
সেক্টর–১, সল্ট লেক সিটি
Frequently Asked Questions
পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১ জুন ২০২৬ তারিখে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিম চালু করবে।
স্কিমটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১ জুন ২০২৬ থেকে চালু হবে।
প্রস্তাবিত এই স্কিমের অধীনে যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন।
হ্যাঁ। এই স্কিমের আর্থিক সহায়তার টাকা DBT পদ্ধতির মাধ্যমে সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হতে পারে।
হ্যাঁ, সরকার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার অনলাইন আবেদনপত্র চালু করেছে।
বর্তমান লক্ষ্মীর ভাণ্ডার উপভোক্তাদের এই স্কিমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে নাকি আলাদা করে আবেদন করতে হবে, সে বিষয়ে সরকার এখনও পর্যন্ত স্পষ্টভাবে কিছু জানায়নি।
যেসব মহিলা এই স্কিমের জন্য যোগ্য কিন্তু লক্ষ্মীর ভাণ্ডার স্কিমের অধীনে নিবন্ধিত নন, তাঁদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমের জন্য নতুন করে আবেদন জমা দিতে হবে।
হ্যাঁ, ২৫ বছর থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা এই স্কিমের জন্য যোগ্য।
হ্যাঁ। বর্তমান লক্ষ্মীর ভাণ্ডার উপভোক্তারা, যাঁদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত করা হতে পারে, তাঁরা DBT সুবিধা চালু রাখতে আধার-লিঙ্ক করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আপডেট করতে পারবেন।
উপভোক্তারা NPCI-এর Aadhaar Mapping Status অপশনের মাধ্যমে আধারের সঙ্গে কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক রয়েছে তা চেক করতে পারবেন। এর জন্য আধার নম্বর লিখে OTP-এর মাধ্যমে যাচাই করতে হবে।
হ্যাঁ। উপভোক্তারা ব্যাঙ্ক শাখায় না গিয়েও NPCI Aadhaar Seeding Portal-এর মাধ্যমে অনলাইনে তাঁদের DBT ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আপডেট বা পরিবর্তন করতে পারবেন।
হ্যাঁ। বর্তমান লক্ষ্মীর ভাণ্ডার উপভোক্তারা, যাঁদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত করা হতে পারে, তাঁরা তাঁদের আধার-লিঙ্ক করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পরিবর্তন বা আপডেট করতে পারবেন। যদি বর্তমান ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয়, বন্ধ, ব্লক হয়ে যায়, ভুলভাবে লিঙ্ক থাকে অথবা অন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে DBT সুবিধা নিতে চান, তাহলে উপভোক্তারা NPCI Aadhaar Seeding Portal-এর মাধ্যমে অনলাইনে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আপডেট করতে পারবেন। আধার ব্যাঙ্ক ম্যাপিং সফলভাবে আপডেট হওয়ার পর ভবিষ্যতের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমের DBT টাকা নতুন লিঙ্ক করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হতে পারে।
না। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমের অধীনে নিয়মিত DBT টাকা পেতে উপভোক্তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে তাঁদের আধার-লিঙ্ক করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় ও চালু রয়েছে।
হ্যাঁ। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিম এবং অন্নপূর্ণা যোজনা, দুটিই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের চালু করা একই মহিলাদের আর্থিক সহায়তা প্রকল্পকে বোঝায়।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনায় আবেদনকারীরা পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যাল রেজিস্ট্রি ওয়েবসাইট অর্থাৎ socialregistry.wb.gov.in-এর মাধ্যমে অফিসিয়াল পোর্টালে প্রবেশ করে আবেদন জমা দিতে এবং উপভোক্তা-সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
না। বর্তমানে আবেদনকারীরা নাগরিক লগইন পোর্টাল বা অন্য কোনো অনলাইন সুবিধার মাধ্যমে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্রের অবস্থা জানতে পারবেন না।
আবেদনকারীরা তাদের অস্থায়ী আবেদন পরিচয় নম্বর সঙ্গে নিয়ে নিকটবর্তী বিডিও অফিস (ব্লক উন্নয়ন অফিস) অথবা এসডিও অফিস (মহকুমা অফিস)-এ গিয়ে তাদের আবেদনপত্রের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারেন।
না। আবেদনপত্র একবার জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীরা তাদের নাগরিক লগইন অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কোনো তথ্য সম্পাদনা বা হালনাগাদ করতে পারবেন না।
উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আর্থিক সহায়তার অর্থ সফলভাবে জমা হওয়ার পর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি ক্ষুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠানো হবে।
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী অনুমতি থাকলে, অনুমোদিত সরকারি কর্মকর্তারা আবেদনকারী এবং জমা দেওয়া সহায়ক নথিপত্র যাচাই করার পর তাদের সরকারি লগইনের মাধ্যমে আবেদনপত্রের তথ্য হালনাগাদ বা সংশোধন করতে পারেন।
কিস্তির টাকা ডিবিটি (DBT) পদ্ধতিতে পাঠানো হয়। টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হতে সাধারণত ১ থেকে ২ দিন সময় লাগতে পারে।
না, বর্তমানে অন্নপূর্ণা যোজনার পোর্টালে কিস্তির স্ট্যাটাস দেখার কোনো সুবিধা নেই।
কিস্তির টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হলে, ব্যাংকের পক্ষ থেকে আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি এসএমএস পাঠানো হতে পারে।
এই বিষয়ে যোগাযোগের জন্য সরকার এখনও কোনো নির্দিষ্ট হেল্পলাইন নম্বর বা কর্তৃপক্ষের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে আরও তথ্য জানতে আপনি আপনার নিকটবর্তী বিডিও (BDO) বা এসডিও (SDO) অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।
"আবেদন বাতিল" অবস্থার অর্থ হলো যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আপনার আবেদন অনুমোদিত হয়নি।
"তদন্তাধীন" অবস্থার অর্থ হলো আপনার আবেদন বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনাধীন রয়েছে। সাধারণত আবেদন বাতিলের বিরুদ্ধে আবেদনকারী আপত্তি জানালে এই অবস্থা প্রদর্শিত হয়। এরপর দপ্তর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আবেদনটি পুনরায় যাচাই করে।
"অর্থপ্রদান ব্যর্থ" অবস্থার অর্থ হলো আপনার আবেদন অনুমোদিত হয়েছে, কিন্তু আর্থিক সহায়তার অর্থ আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা যায়নি। সাধারণত আধার-ব্যাংক সংযুক্তিকরণে সমস্যা, ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) পরিষেবা নিষ্ক্রিয় থাকা, ভুল ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য অথবা অন্যান্য ব্যাংক-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে এমনটি ঘটে।
হ্যাঁ। আবেদনকারীরা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের নাগরিক পোর্টালে প্রবেশ করে তাঁদের আবেদনের অবস্থা দেখতে পারবেন। আবেদনটি প্রত্যাখ্যাত হলে, পোর্টালে এখন প্রত্যাখ্যানের নির্দিষ্ট কারণও দেখানো হবে।
দাবি জানানোর সুবিধার মাধ্যমে আবেদনকারী মনে করলে যে তাঁর আবেদনটি পুনরায় বিবেচনা করা বা আরও যাচাই করা প্রয়োজন, তাহলে তিনি দাবি জানাতে পারেন। নাগরিক পোর্টালে প্রবেশ করার পর “আপত্তি ও দাবি” বিভাগ থেকে এই দাবি জমা দেওয়া যায়।
আপনার আবেদনের স্থিতি “আরও যাচাই প্রয়োজন” দেখালে, আবেদন যাচাই সম্পূর্ণ করার আগে কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত ব্যাখ্যা বা নথির প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি জমা দেওয়ার জন্য উপলব্ধ দাবি জানানোর সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।
হ্যাঁ। কোনও আবেদনকারী মনে করলে যে তাঁর আবেদনটি পুনরায় বিবেচনা করা প্রয়োজন অথবা আবেদন বাতিল হওয়ার বিষয়ে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা দেওয়া দরকার, তাহলে তিনি “আবেদনকারীর দাবি” বিকল্প ব্যবহার করতে পারেন।
হ্যাঁ। পোর্টালে “কারও বিরুদ্ধে আপত্তি” জানানোর সুবিধা রয়েছে। এর মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি অন্য আবেদনকারী বা সুবিধাভোগীর বিষয়ে সত্য ও প্রাসঙ্গিক কোনও অভিযোগ বা তথ্য থাকলে প্রয়োজনীয় বিবরণসহ আপত্তি জানাতে পারেন।
Do you have any question regarding schemes, submit it in scheme forum and get answers:
Feel free to click on the link and join the discussion!
This forum is a great place to:
- Ask questions: If you have any questions or need clarification on any aspect of the topic.
- Share your insights: Contribute your own knowledge and experiences.
- Connect with others: Engage with the community and learn from others.
I encourage you to actively participate in the forum and make the most of this valuable resource.
| ব্যক্তির প্রকার | প্রকল্পের ধরন | সরকার |
|---|---|---|
Comments
Ayrani chithaliya
Hiii
How to apply
How do I apply for annapurna bhandar online??
আমারা কি অন্য পূর্না পাব
আমারা কি অন্য পূর্না পাব
Amar to 24 year tahole ami…
Amar to 24 year tahole ami kivabe apply korbo
[email protected]
Annapurna Bhandar
annapurna bhandar
form fill up kobe theke start hobe
7011316
Bir se purvdiya Howrah
Birsaipur ul Wadia Howrah…
Birsaipur ul Wadia Howrah pin code 7011316
Laxmi bandar
2bar abedon koray ami paini
Abar Anopurna bendar ke pabo na
Bangla
Hi
Annapurna bandra
Hindu
About annapurna portal
Portal e new registration kobe theke suru hobe? Jara Laxmi bhandar peto tara ki apply korbe?
অর্ণপূর্ণা ভান্ডার
আমার মা লক্ষীর ভান্ডার পেতো না। তিনি কিভাবে অর্ণপূর্ণা ভান্ডার পাবেন ?
Annapurna bhandar
Kaise karke online from fill up kare sir
Ami pchi na
Ami pchi na
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার
Annapurna ভান্ডার কি বয়স্ক মহিলাদের জন্য নয়, আমার মা sixty ঊর্ধ্ব, উনি কি পাবেন না ?
I want to fillup the from
I want to fillup the from
Annapurna bhander
Apply kivabe korbo
Annapurna vander
It is very helpful for me
Annapurna bhander from filup
This is very good decision for wast bengal women
Annapurna bhandaar
I am not working
me weting for work
Age 27
I am High secondary pass
Very good news ❤️😊👊🙏🙏🙏
Very good news 😊❤️💥🙏🙏🙏
15 years Raipur Mandal para…
15 years Raipur Mandal para road
Post nag Tala
Thana Netaji Nagar
Kolkata 700047
West Bengal
দাদা এখানে তো অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দেওয়ার কথা বলছে কোন জায়গাতেই
দাদা এখানে তো অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দেওয়ার কথা বলছে কোন জায়গাতেই তো বলছে না যে জুন মাসে যুব শক্তি টাকা দিবে,????
Moli
Moli
খুব ভালো প্রকল্প
খুব ভালো প্রকল্প
Bangla
Annapurna bhandar
Annapurna Bhander
Kobe pabo
Annapurna Bhander
How do I apply for Annapurna Bhander
Scheme in online
Annapurna bhandar
Good
Annapurna vander
Please it process
Bengali
This is very good scheme
Annapurna
Annapurna
Annapurna
Annapurna
Alipurduar district
Falakata Jala Jalpaiguri alipurduar district raichandra
Annapurna bhandar
Dear sir and mam,,,, amar name Priyanka sardar,,, address,,, Khardaha rahara amar khub dorkar ai bhata plz ektu sahajo korben,,,,
Bangla
Annapurna Bhandar
Annapurna bhandar
Purono der ki kono processing e jete hobe?
Sir maine February month m…
Sir maine February month m apply kiye the lakhibhandar lakin Mera 2 msg aya approve ka kya fir se Annapurna bhandar form fillup online karna hoga ya sirf DBT sirf karana hoga
Online apply kobe hobe
Online apply kobe hobe
"নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক…
"নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ! বাংলার সাধারণ ও দুস্থ মা-বোনদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাঁদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় ক্যাবিনেট মিটিংয়ে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ১ জুন থেকেই রাজ্যে চালু হতে চলেছে বহুল প্রতীক্ষিত 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার' প্রকল্প, যার মাধ্যমে যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে সরাসরি নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাবেন।পূর্বতন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকদের নাম সরাসরি এই নতুন এবং বর্ধিত সুবিধাযুক্ত প্রকল্পে স্থানান্তরিত করার দূরদর্শী সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের প্রশাসনিক জটিলতা ও ভোগান্তি অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে। সেই সঙ্গে নতুনদের আবেদনের জন্য দ্রুত অনলাইন পোর্টাল চালু করা এবং সিএএ (CAA) প্রক্রিয়াধীন আবেদনকারীদেরও এই সুরক্ষাকবচের আওতায় আনার মানবিক পদক্ষেপ সত্যিই প্রশংসনীয়।যেমন প্রতিশ্রুতি, ঠিক তেমনই কাজ! নবান্নে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সাথে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করায় এবং রাজ্যের মা-বোনেদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়কে জানাই অন্তরের অন্তস্তল থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা এবং অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার এই বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দূরদর্শী চিন্তাভাবনা বাংলার প্রতিটি পরিবারকে আর্থিক নিশ্চয়তা ও আত্মমর্যাদা প্রদান করবে।"
West Bengal
Namita
Sir apply kha karna hai
Sir apply kha karna hai
Annapurna Bhandar
Ami new applicant. Notun vabe Annapurna Bhandar er jonno online form fillup kothai korbo
Annapurna bhandar
Ami ei year a new laxmibhandar form fill up korechilam kintu kono taka dhokeni.. R status o check korechilam under process a chiilo tokhon kintu akhon check korte gele annapurna bhandar er website tai open horche jkhane login korar jonno dekharche but amar to login kora chilo na ba kono password o chilo na...tahole ko korbo kichui bujhe uthte parchi na..
R nutun kore Annapurna bhandar kibhabe form online a korbo sheta o to parchi na...website a to new form fill up er kono link dekhchi na...please sir or mam help korun ektu,,amar sarti ata khub khub proyojon.ami ekjon separate women from husband r 42year old hoye jawai kichu korteo pari na..ata hole amar kichuta hel hobe.🙏
Annupurna bhandar
Yes
GLOBAL APPEAL – BRITISH…
GLOBAL APPEAL – BRITISH EMPIRE CONTINUITY – DONATE SWIFT: ANZBAU3MXXX BSB:014740 Account:430869398
kobe theke apply hobe
kobe theke apply hobe?
Annuparna bhandar
Ke vaba online a korbo
Please koi website dijiye
Please koi website dijiye
Annapurna bhandar
Annapurna bhandar kothai apply hobe online Aa
On
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার
No
No
Annapurna bhandar
Annapurna bhandar I am a new application. My wife age 23 years, please age mention, what name website
English
English
English
English
Thank you
Thank you
Apply 1st june,2026 theke…
Apply 1st june,2026 theke apply korte parbe sobai jara new candidate
Jara lakkhirbhandar already pan tader notun kore apply korte hobena tader direct duke jabe 1st June theke
Annapurna vandar
Ke vabey on line a korbo
ELIGIBILITY
What is the prescribed limit of income to be eligible for the Annapurna Bhandar scheme?
New apply Annapurna Bhandar
New apply Annapurna Bhandar
Scholarship
আমি ক্লাস টেনে পড়ি আমার একটি অনুরোধ রইল আপনাদের কাছে ইলেভেনে ওঠার পর যে মোবাইলে ১০ হাজার টাকা পেতাম আমরা চাই এখনো পেতে চাই শুভেন্দুর মহাশয়ের কে আমরা বলছি আপনি একটু দেখুন সকল স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এটি আমার কাছে অনুরোধ রইল
দব্য্যবর
দব্য্যবর
27
PURNIMA
Galenur begam.dada.amer.to…
Galenur begam.dada.amer.to.lakhimi.bhander.forme.accont.nember.ti.vul.ami.ki.natun.kore.annapurna.vader.er.forme.joma.deta.parbo
Login hocchena website bolun
Login hocchena website bolun
অন্নপূর্ণা ভান্ডার
যারা এতোদিন লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়ে এসেছে, তারাও কী অন্নপূর্ণা ভান্ডার পাবে? নাকি আবার নতুন করে আবেদন করতে হবে?
Hindi
I am Kiran Devi
Annapurna bhandar
Annapurna bhandar
amar akhan thekay khula…
amar akhan thekay khula jache na kno ar ki kore bujhbo amar name ache ki na ak bar khullo tao name bhul dekhalo adhar card diya try korlam
Very good cm sir for new…
Very good cm sir for new west bengal.
From submit
Ok
Nice
[email protected]
Annapurna Yojana registration form
How to register for Annapurna Yojana. Please guide
Om
Good
[email protected]
Annopurna bhandar
Annapurna Bhander
Lakshmi Bhander to be transfer automatically.
Housewife
Thank you🙏
Give 3000 urgently
Annapurna bhandar schemes I need
3000
Yes
3000
Yes
ananapurna bhander status
AAMAR LAKHIR BHANDER E NAM CHILO KINTU EAKHON AAR AAMAR STATUS E DHEKTE PARCHI NA
ANANAPURNA BHANDER AO KONO STATUS DEKHA JACHE NA
Annapurna Bhandar
Annapurna Bhandar
Shrirampur milky bathamtala
Milkar badantala
Inquiry
Many people who were previously receiving the Lakshmir Bhandar benefits now do not have DBT Link enabled in their bank accounts, although their Aadhaar is already linked with the account. Because of this, many are worried and asking whether they will stop receiving the Annapurna Bhandar benefits.please insured
Thank you
Annapurna bhander
Cm sir kobe theke ei taka pabo .bari malda arapur jot
Lakhi vandar Payment yet to start . Bank status error
New applicant lokhi vandar ...ekbaro taka dhukeni ...sobi thik 6ilo .... ekhon ki lokhi vandar Id tei annapurna taka dhukbe ...DBT ok a6e
Verification
I have already completed all the government procedures as an existing Lakshmir Bhandar beneficiary. However, recently many social media pages are spreading news that after DBT linking, beneficiaries must complete an additional verification process; otherwise, the payment from June onwards may be stopped.
Kindly provide the correct and official information regarding this matter:
Is any new verification actually required?
If yes, what is the complete process?
Where can we find the official link or portal?
What documents or steps are needed?
Please share the authentic government update to avoid confusion caused by fake social media news.
Annapurna Bhander
Very good decision
Annapurna Vandar status check
My status check
Kaise aavedan kare-n koi web…
Kaise aavedan kare-n koi web side bataye
Annpurna Bhandar
Annpurna Bhandar
Annapurna bhander scheme
Karur sur name change hole ki Annapurna bhander paoya jabe? Lakshmi bhander peto kintu aadhar no same ache jodi bank r sathe dbt link notun surname deoya a/c r sathe hoy tahole ki notun kore from fill up korte hobe
Mobile no charge
Mobile no change of Annapurna bhander
24
3000
Annapurna Bhandar
I want my Annapurna Bhandar
There's some mistake you need to verify
I have screenshot
Annapurna Uojana
Annapurna vandar
Annapurna
I would like to this anna purna bandar plz do my
Annapurna Bhander scheem
Thank you for this project, due to help for our financial freedom. Also thanks Honable, Chip minister & others.
Pagination
নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন