- পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত যোগ্য এসসি ও এসটি শিক্ষার্থীদের বার্ষিক বৃত্তি প্রদান করা হয়।
- যোগ্য শিক্ষার্থীরা বছরে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পেতে পারে।
- যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত, তাদের শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারে।
- বৃত্তির অর্থ সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।
- পশ্চিমবঙ্গ ওয়েসিস বৃত্তি পোর্টালের হেল্পলাইন নম্বর:- ০৮৪২০০২৩৩১১।
- পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের ফোন নম্বর
প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |
|---|---|
| প্রকল্পের নাম | পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী প্রকল্প |
| চালুর বছর | ২০১৪-১৫ |
| সুবিধা | বছরে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা |
| উপভোক্তা | পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এসসি ও এসটি শিক্ষার্থী |
| নোডাল দপ্তর | পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর এবং আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তর |
| সদস্যতা | প্রকল্প সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পেতে এখানে সদস্যতা নিন |
| আবেদনের পদ্ধতি | অনলাইন আবেদনপত্রের মাধ্যমে |
যোজনা পরিচিতি: সংক্ষিপ্ত বিবরণ
পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী প্রকল্প হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক চালু করা একটি প্রাক-মাধ্যমিক বৃত্তি কর্মসূচি, যার উদ্দেশ্য তফসিলি জাতি (এসসি) এবং তফসিলি উপজাতি (এসটি) সম্প্রদায়ভুক্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে চালু হওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হয়। এই পর্যায়ে আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সমস্যার সম্মুখীন হয়। তাই উচ্চ প্রাথমিক স্তরে বৃত্তির সুবিধা প্রদান করে রাজ্য সরকার শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের পড়াশোনা নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যেতে সহায়তা করার লক্ষ্য নিয়েছে।
এই প্রকল্পের অধীনে যোগ্য শিক্ষার্থীরা বার্ষিক আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকে, যা বিভিন্ন শিক্ষা-সংক্রান্ত খরচ মেটাতে ব্যবহার করা যায়। বই, খাতা, শিক্ষাসামগ্রী এবং বিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় বহনে এই বৃত্তি নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলিকে সহায়তা করে। শিক্ষার্থীর শ্রেণি ও শ্রেণিভুক্তির ভিত্তিতে বছরে ৭৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করা হয়। এছাড়াও এই প্রকল্প বিদ্যালয়ে ভর্তির হার বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের আর্থিক বাধা ছাড়াই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং সরকার-স্বীকৃত বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত যোগ্য এসসি ও এসটি শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারে। সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বৃত্তির অর্থ সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। যোগ্য শিক্ষার্থীরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ওয়েসিস বৃত্তি পোর্টাল-এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারে, যা নিবন্ধন, আবেদন জমা, নবায়ন এবং আবেদনের অবস্থা যাচাইয়ের সরকারি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে, তফসিলি জাতি (এসসি) বা তফসিলি উপজাতি (এসটি) শ্রেণিভুক্ত হতে হবে, পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত হতে হবে এবং পরিবারের বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া যাবে না। যারা পরবর্তী শিক্ষাবর্ষেও পড়াশোনা চালিয়ে যায় এবং প্রকল্পের যোগ্যতার শর্ত পূরণ করে, তারা বৃত্তি নবায়নের জন্য আবেদন করতে পারে। কিছু সরকারি নথিতে এই কর্মসূচিকে "শিক্ষাশ্রী প্রকল্প" নামেও উল্লেখ করা হয়। ধারাবাহিক বৃত্তি সহায়তার মাধ্যমে এই উদ্যোগের লক্ষ্য শিক্ষায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, বিদ্যালয়ত্যাগের হার কমানো এবং রাজ্যের এসসি ও এসটি শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা।
যোজনার সুবিধাসমূহ
- পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত তফসিলি জাতি (এসসি) এবং তফসিলি উপজাতি (এসটি) শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
- যোগ্য শিক্ষার্থীদের বছরে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করা হয়।
- বই, খাতা, শিক্ষাসামগ্রী এবং অন্যান্য শিক্ষা-সংক্রান্ত ব্যয় মেটাতে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করে।
- সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করে এবং বিদ্যালয়ত্যাগের হার কমাতে সহায়তা করে।
- পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি এবং নিয়মিত উপস্থিতি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
- বৃত্তির অর্থ সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়, যা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।
- আর্থিকভাবে দুর্বল তফসিলি জাতি (এসসি) এবং তফসিলি উপজাতি (এসটি) পরিবারের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করে।
শিক্ষাশ্রী যোজনার বৃত্তির পরিমাণ
পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী বৃত্তি প্রকল্পের অধীনে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত যোগ্য তফসিলি জাতি (এসসি) এবং তফসিলি উপজাতি (এসটি) শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সহায়তার জন্য বার্ষিক আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীর শ্রেণি এবং শ্রেণিভুক্তির ভিত্তিতে বৃত্তির পরিমাণ নির্ধারিত হয়। নিচের সারণিতে প্রকল্পের অধীনে শ্রেণিভিত্তিক বৃত্তির পরিমাণ দেখানো হয়েছে।
| শ্রেণি | তফসিলি জাতি (এসসি) | তফসিলি উপজাতি (এসটি) |
|---|---|---|
| পঞ্চম শ্রেণি | প্রতি বছর ৭৫০ টাকা | প্রতি বছর ৮০০ টাকা |
| ষষ্ঠ শ্রেণি | প্রতি বছর ৭৫০ টাকা | প্রতি বছর ৮০০ টাকা |
| সপ্তম শ্রেণি | প্রতি বছর ৭৫০ টাকা | প্রতি বছর ৮০০ টাকা |
| অষ্টম শ্রেণি | প্রতি বছর ৮০০ টাকা | প্রতি বছর ৮০০ টাকা |
যোগ্যতার শর্তাবলি
পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের অধীনে আর্থিক সহায়তা পেতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্ধারিত কিছু যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে। এই শর্তগুলির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে বৃত্তির সুবিধা উচ্চ প্রাথমিক স্তরে অধ্যয়নরত যোগ্য তফসিলি জাতি (এসসি) ও তফসিলি উপজাতি (এসটি) শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছায়।
- আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- আবেদনকারীকে তফসিলি জাতি (এসসি) অথবা তফসিলি উপজাতি (এসটি) শ্রেণিভুক্ত হতে হবে।
- শিক্ষার্থীকে পশ্চিমবঙ্গের কোনো স্বীকৃত বিদ্যালয়ে পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম অথবা অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত হতে হবে।
- শিক্ষার্থীকে সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত অথবা সরকার-স্বীকৃত বিদ্যালয়ে ভর্তি থাকতে হবে।
- আবেদনকারীর পরিবারের বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া যাবে না।
- শিক্ষার্থীকে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য বৃত্তির আবেদন করা হচ্ছে সেখানে নিয়মিত অধ্যয়ন চালিয়ে যেতে হবে।
- ডিবিটি ব্যবস্থার মাধ্যমে বৃত্তির অর্থ গ্রহণের জন্য আবেদনকারীর নামে একটি বৈধ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র
প্রকল্পের অধীনে আবেদন এবং যাচাইকরণের সময় নিম্নলিখিত নথিগুলি প্রয়োজন হতে পারে:
- শিক্ষার্থীর আধার কার্ড।
- উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত তফসিলি জাতি (এসসি) অথবা তফসিলি উপজাতি (এসটি) শংসাপত্র।
- পরিবারের বার্ষিক আয় নির্ধারিত সীমার মধ্যে রয়েছে তা প্রমাণকারী আয় শংসাপত্র।
- শিক্ষার্থীর সাম্প্রতিক পাসপোর্ট আকারের রঙিন আলোকচিত্র।
- পশ্চিমবঙ্গে বসবাসের প্রমাণপত্র।
- বিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষার্থী পরিচয় বা ভর্তির শংসাপত্র।
- ডিবিটি ব্যবস্থার মাধ্যমে বৃত্তির অর্থ গ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাবের বিবরণ সম্বলিত ব্যাংক পাসবইয়ের অনুলিপি।
- প্রয়োজন হলে যাচাইকরণের সময় পূর্ববর্তী শিক্ষাবর্ষের নম্বরপত্র।
আবেদনের ধাপসমূহ
- যোগ্য শিক্ষার্থীরা পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।
- শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের অনলাইন আবেদনপত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ওয়েসিস বৃত্তি পোর্টালে উপলব্ধ।
- শিক্ষার্থীদের প্রথমে ওয়েসিস পোর্টালে নিবন্ধন করতে হবে।
- নিবন্ধনের সময় একটি বৈধ জাতি শংসাপত্র থাকা আবশ্যক।
- প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত ও শিক্ষাগত তথ্য প্রদান করে নিবন্ধন ফর্ম পূরণ করুন।
- সফল নিবন্ধনের পর পোর্টাল আবেদনকারীর জন্য লগইন পরিচয়পত্র তৈরি করবে।
- ওয়েসিস পোর্টালে লগইন করুন আবেদনকারী পরিচয় নম্বর এবং গোপন সংকেত ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করুন।
- জাতি শংসাপত্র, আয় শংসাপত্র, শিক্ষাগত নথি এবং ব্যাংক হিসাবের বিবরণসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র আপলোড করুন।
- আবেদনপত্রটি ভালোভাবে যাচাই করে পোর্টালের মাধ্যমে জমা দিন।
- জমা দেওয়া আবেদনপত্র এবং প্রাপ্তিস্বীকার রসিদের একটি অনুলিপি ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করুন।
- সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্র এবং জমা দেওয়া নথিপত্র যাচাই করবেন।
- সফল যাচাইকরণ ও অনুমোদনের পর বৃত্তির অর্থ সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে।
- আবেদনকারীরা তাদের আবেদনকারী পরিচয় নম্বর ব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের আবেদনের অবস্থা অনলাইনে দেখতে পারবেন।
প্রাসঙ্গিক লিঙ্কসমূহ
- পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী প্রকল্পে নিবন্ধন
- পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী প্রকল্পে প্রবেশ
- পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের আবেদনের অবস্থা
- শিক্ষাশ্রী বৃত্তি প্রকল্পের নবায়ন
- পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের নির্দেশিকা
- পশ্চিমবঙ্গ ওয়েসিস পোর্টাল
- পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের ওয়েবসাইট
- পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের ওয়েবসাইট
যোগাযোগের তথ্য
- পশ্চিমবঙ্গ ওয়েসিস বৃত্তি পোর্টালের হেল্পলাইন নম্বর:- ০৮৪২০০২৩৩১১।
- পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের ফোন নম্বর
Frequently Asked Questions
পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা, তফসিলি জাতি (এসসি) বা তফসিলি উপজাতি (এসটি) শ্রেণিভুক্ত এবং কোনো স্বীকৃত বিদ্যালয়ের পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা, নির্ধারিত আয়-সংক্রান্ত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে, এই যোজনার জন্য আবেদন করতে পারে।
এই প্রকল্পের অধীনে বৃত্তির সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদনকারীর পরিবারের বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া যাবে না।
যোগ্য শিক্ষার্থীরা তাদের শ্রেণি এবং শ্রেণিভুক্তির ভিত্তিতে বছরে ৭৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বৃত্তি পেয়ে থাকে।
এই প্রকল্পের আওতায় পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম এবং অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা অন্তর্ভুক্ত।
হ্যাঁ। এই প্রকল্পের অধীনে তফসিলি জাতি (এসসি) এবং তফসিলি উপজাতি (এসটি) উভয় সম্প্রদায়ের যোগ্য শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
যোগ্য শিক্ষার্থীরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ওয়েসিস বৃত্তি পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আবেদন করতে পারে।
হ্যাঁ। যেসব শিক্ষার্থী তাদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখে এবং নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করে, তারা পরবর্তী শিক্ষাবর্ষগুলিতে বৃত্তির নবায়নের জন্য আবেদন করতে পারে।
আবেদনকারীরা তাদের আবেদনকারী পরিচয় নম্বর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য ব্যবহার করে ওয়েসিস বৃত্তি পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে তাদের আবেদনের অবস্থা জানতে পারেন।
Do you have any question regarding schemes, submit it in scheme forum and get answers:
Feel free to click on the link and join the discussion!
This forum is a great place to:
- Ask questions: If you have any questions or need clarification on any aspect of the topic.
- Share your insights: Contribute your own knowledge and experiences.
- Connect with others: Engage with the community and learn from others.
I encourage you to actively participate in the forum and make the most of this valuable resource.
| জাত | ব্যক্তির প্রকার | প্রকল্পের ধরন | সরকার |
|---|---|---|---|
Comments
pg scholarship overseas west…
pg scholarship overseas west bengal
only for sc st, any general…
only for sc st, any general scheme
Any scholarship for general…
Any scholarship for general candidate in west bengal
English
I like this subject
নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন