- স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকার যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পের অধীনে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন।
- অন্যান্য যোগ্য বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন।
- আর্থিক সহায়তার অর্থ সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
- প্রকল্পটি কার্যকর হওয়ার পর যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
প্রকল্পের সারসংক্ষেপ | |
|---|---|
| প্রকল্পের নাম | পশ্চিমবঙ্গ ভরসা কর্মসূচি (শিক্ষিত বেকার যুব প্রকল্প) |
| ঘোষণার তারিখ | ২২ জুন ২০২৬ |
| চালুর মাস | অক্টোবর ২০২৬ |
| সুবিধা |
|
| উপভোক্তা | পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতী |
| সদস্যতা | প্রকল্প সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পেতে এখানে সদস্যতা নিন |
| আবেদনের পদ্ধতি | এখনও ঘোষণা করা হয়নি |
যোজনা পরিচিতি: সংক্ষিপ্ত বিবরণ
ভরসা কর্মসূচি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি নতুন ঘোষিত বেকার ভাতা প্রকল্প, যার উদ্দেশ্য রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। প্রকল্পটি পশ্চিমবঙ্গ বাজেট ২০২৬-এ ঘোষণা করা হয়েছে এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর মাস থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এই কর্মসূচির অধীনে যোগ্য স্নাতক বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা এবং অন্যান্য যোগ্য শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন। কর্মসংস্থানের সন্ধানকালীন সময়ে যুবকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং দক্ষতা উন্নয়ন, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কর্মজীবন-সংক্রান্ত ব্যয় মেটাতে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
ভরসা কর্মসূচির ঘোষণা রাজ্যজুড়ে ব্যাপক জনআকর্ষণ সৃষ্টি করেছে, কারণ এটি পশ্চিমবঙ্গ যুব শক্তি যোজনা, অর্থাৎ যুব শক্তি ভরসা কার্ড-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সময় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারে বেকার যুবক-যুবতীদের উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সন্ধানকালীন সময়ে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। নতুন সরকার গঠনের পর পূর্ববর্তী বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে নিবন্ধিত লক্ষাধিক উপভোক্তা এবং প্রস্তাবিত পশ্চিমবঙ্গ যুব শক্তি যোজনার অধীনে নিবন্ধনের অপেক্ষায় থাকা যুবক-যুবতীরা প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সরকারি ঘোষণার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন।
রাজ্য সরকার এখন ভরসা কর্মসূচির মাধ্যমে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, যদিও এতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বে প্রস্তাবিত সকলের জন্য সমান আর্থিক সহায়তার পরিবর্তে সরকার দুই-স্তরবিশিষ্ট সুবিধা কাঠামো ঘোষণা করেছে। এর অধীনে স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা এবং অন্যান্য যোগ্য শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন। ফলে যোগ্য স্নাতক উপভোক্তারা বছরে সর্বোচ্চ ৩৬,০০০ টাকা এবং অন্যান্য যোগ্য বেকার যুবক-যুবতীরা বছরে সর্বোচ্চ ২৪,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বিশেষভাবে চালু হওয়া আর্থিক সহায়তা প্রকল্পগুলির মধ্যে ভরসা কর্মসূচি পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাজেট ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেসব শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীর বয়স ২১ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এবং যাদের পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম, তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য যোগ্য হতে পারেন। তবে বর্তমানে কোনো বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণকারী আবেদনকারীরা ভরসা কর্মসূচির অধীনে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য যোগ্য হবেন না। সফল যাচাইকরণ ও অনুমোদনের পর আর্থিক সহায়তার অর্থ সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাজেট ঘোষণার পর ভরসা কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা জানতে আগ্রহী যে কবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হবে, কারা এই আর্থিক সহায়তার জন্য যোগ্য হবেন এবং নতুন প্রকল্পের অধীনে কীভাবে আবেদন করা যাবে। প্রস্তাবিত পশ্চিমবঙ্গ যুব শক্তি যোজনা এবং যুব শক্তি ভরসা কার্ড সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য অনুসরণ করে আসা বহু আবেদনকারী এখন ভরসা কর্মসূচির বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছেন।
সরকার ঘোষণা করেছে যে ভরসা কর্মসূচি প্রকল্প ২০২৬ সালের অক্টোবর মাস থেকে কার্যকর করা হবে। তবে নিবন্ধনের তারিখ, আবেদন প্রক্রিয়া, উপভোক্তা যাচাইকরণ এবং সরকারি নিবন্ধন পোর্টাল সম্পর্কিত বিস্তারিত নির্দেশিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। প্রকল্পটি চালু হওয়ার আগে এই সমস্ত কার্যকরী তথ্য সরকারিভাবে ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের সহায়তার জন্য ভরসা কর্মসূচি সরকারের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ হওয়ায়, এই প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের হাজার হাজার কর্মপ্রার্থী উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবেদনকারীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে তারা তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার নথিপত্র, আয় শংসাপত্র, আধার কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখুন, যাতে সরকার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করলে দ্রুত নিবন্ধন সম্পন্ন করা যায়।
সর্বশেষ আপডেট
পশ্চিমবঙ্গ সরকার অক্টোবর ২০২৬-এ ভরসা কর্মসূচি চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যোগ্য বেকার যুবকদের প্রতি মাসে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। যোগ্য বেকার স্নাতকরা প্রতি মাসে ₹৩,০০০ এবং অন্যান্য যোগ্য বেকার যুবকরা প্রতি মাসে ₹২,০০০ পেতে পারেন।
যদিও অক্টোবর ২০২৬-কে প্রকল্পটি চালু করার মাস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, তবে সরকার এখনও নির্দিষ্ট চালুর তারিখ জানায়নি। আবেদন ও নাম নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। সরকার নিশ্চিত চালুর তারিখ এবং অন্যান্য সরকারি তথ্য ঘোষণা করলে এই অংশে তা আপডেট করা হবে।

যোজনার সুবিধাসমূহ
ভরসা কর্মসূচির অধীনে যোগ্য উপভোক্তারা নিম্নলিখিত সুবিধাগুলি পাবেন:
- স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা (বছরে ৩৬,০০০ টাকা) আর্থিক সহায়তা পাবেন।
- অন্যান্য যোগ্য শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা (বছরে ২৪,০০০ টাকা) আর্থিক সহায়তা পাবেন।
- আর্থিক সহায়তার অর্থ সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
- উপভোক্তারা এই আর্থিক সহায়তার অর্থ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অন্যান্য খরচের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
- চাকরি অনুসন্ধানের সময় এই প্রকল্প আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।
যোগ্যতার শর্তাবলি
পশ্চিমবঙ্গ বাজেট ২০২৬-এ ঘোষিত বিধান অনুযায়ী, ভরসা কর্মসূচির সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদনকারীদের নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ করতে হবে:
- আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- আবেদনকারীকে শিক্ষিত বেকার যুবক বা যুবতী হতে হবে।
- আবেদনকারীর বয়স ২১ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।
- পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম হতে হবে।
- আবেদনকারী বর্তমানে কোনো বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণকারী হতে পারবেন না।
২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে প্রকল্পটি কার্যকর হওয়ার আগে সরকার বিস্তারিত পরিচালন নির্দেশিকা প্রকাশ করতে পারে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর অতিরিক্ত কোনো যোগ্যতার শর্ত থাকলে তা হালনাগাদ করা হবে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র
পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও ভরসা কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্রের সরকারি তালিকা প্রকাশ করেনি। তবে রাজ্য বাজেটে ঘোষিত যোগ্যতার শর্ত এবং প্রকল্পের অধীনে সম্ভাব্য যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে আবেদনকারীদের নিবন্ধন ও উপভোক্তা যাচাইকরণের সময় নিম্নলিখিত নথিগুলি জমা দিতে হতে পারে।
- আধার কার্ড
- ভোটার পরিচয়পত্র
- বসবাসের প্রমাণপত্র
- পাসপোর্ট আকারের আলোকচিত্র
- মোবাইল নম্বর
- ইমেল ঠিকানা
- বয়সের প্রমাণপত্র
- শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র বা নম্বরপত্র
- স্নাতক ডিগ্রির শংসাপত্র বা নম্বরপত্র (স্নাতক আবেদনকারীদের জন্য)
- আয় শংসাপত্র
- বেকারত্বের শংসাপত্র অথবা স্ব-ঘোষণাপত্র
- ব্যাংক পাসবই
- আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ
- স্ব-ঘোষণাপত্র
- জাতি শংসাপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
ভরসা কর্মসূচির সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশের পর সরকার চূড়ান্ত নথিপত্রের তালিকা ঘোষণা করবে।
বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের উপভোক্তাদের কি আবার আবেদন করতে হবে?
আবেদনকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রশ্নগুলির একটি হল, পূর্ববর্তী বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের অধীনে নিবন্ধিত উপভোক্তারা কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভরসা কর্মসূচির সুবিধা পাবেন। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নতুনভাবে ঘোষিত এই কর্মসূচিকে সরকারের সংশোধিত বেকার ভাতা উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, ফলে এই প্রশ্নের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রস্তাবিত পশ্চিমবঙ্গ যুব শক্তি যোজনা, যা যুব শক্তি ভরসা কার্ড নামেও পরিচিত, পূর্ববর্তী বেকার ভাতা প্রকল্পের পরিবর্তে অধিক আর্থিক সহায়তা প্রদানের কথা ছিল। বর্তমানে সরকার শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য ভরসা কর্মসূচিকে প্রধান প্রকল্প হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর ফলে বিদ্যমান অনেক উপভোক্তা জানতে চাইছেন, তাদের কি নতুন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তবে সরকার এখনও স্পষ্ট করেনি যে বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের বর্তমান উপভোক্তাদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভরসা কর্মসূচির আওতায় আনা হবে কি না, অথবা তাদের নতুন করে আবেদন করতে হবে কি না। একইভাবে, উপভোক্তা স্থানান্তর, নথিপত্র যাচাই কিংবা নতুন প্রকল্পের অধীনে সুবিধা চালু থাকার বিষয়ে এখনও কোনো সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়নি।
বর্তমানে বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের ভরসা কর্মসূচির সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশিত হলে সরকার নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং বিদ্যমান উপভোক্তাদের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আবেদনের পদ্ধতি
পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও ভরসা কর্মসূচির জন্য সরকারি নিবন্ধন নির্দেশিকা প্রকাশ করেনি। তবে প্রকল্পটি চালু হওয়ার পর অনলাইন এবং অফলাইন উভয় পদ্ধতিতেই আবেদন গ্রহণ করা হতে পারে। আবেদনকারীদের সুবিধার্থে সম্ভাব্য আবেদন প্রক্রিয়া নিচে তুলে ধরা হলো।
সম্ভাব্য অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া
- নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হলে ভরসা কর্মসূচির সরকারি পোর্টালে প্রবেশ করুন।
- প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে উপভোক্তা হিসেবে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন।
- পোর্টালে প্রবেশ করে আবেদনপত্র খুলুন।
- ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয়ের বিবরণ এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রদান করুন।
- প্রয়োজনীয় নথিপত্র আপলোড করুন।
- প্রদত্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে আবেদনপত্র জমা দিন।
- ভবিষ্যতের প্রয়োজনে প্রাপ্তিস্বীকার রসিদ সংরক্ষণ করুন অথবা মুদ্রণ করে রাখুন।
সম্ভাব্য অফলাইন আবেদন প্রক্রিয়া
- নির্ধারিত সরকারি দপ্তর, শিবির বা সংশ্লিষ্ট বিভাগের কার্যালয় থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করুন।
- আবেদনপত্রটি সতর্কতার সঙ্গে পূরণ করুন।
- প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অনুলিপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করুন।
- পূরণ করা আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিন।
- আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর প্রাপ্তিস্বীকার রসিদ সংগ্রহ করুন।
- সংশ্লিষ্ট বিভাগের যাচাইকরণ ও অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করুন।
চূড়ান্ত আবেদন প্রক্রিয়া, নিবন্ধনের তারিখ এবং পোর্টাল-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সরকার ভরসা কর্মসূচির সরকারি নির্দেশিকার মাধ্যমে ঘোষণা করবে।
প্রাসঙ্গিক লিঙ্কসমূহ
- পশ্চিমবঙ্গ ভরসা কর্মসূচির নির্দেশিকা এবং আবেদন লিঙ্ক ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশ করা হবে।
- পশ্চিমবঙ্গ ভরসা কর্মসূচি সম্পর্কিত বাজেট ঘোষণা (পৃষ্ঠা নম্বর ৩২)
- পশ্চিমবঙ্গ যুব পরিষেবা ও ক্রীড়া দপ্তর
যোগাযোগের তথ্য
- প্রকল্পটি কার্যকর হওয়ার পর যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
Frequently Asked Questions
ভরসা কর্মসূচি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ঘোষিত একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প, যা শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে।
প্রকল্পটি ২০২৬ সালের অক্টোবর মাস থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা এবং অন্যান্য যোগ্য বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন।
যেসব শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীর বয়স ২১ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এবং যাদের পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম, তারা এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য হতে পারেন।
ভরসা কর্মসূচিকে সরকারের বেকার ভাতা কর্মসূচি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যা প্রস্তাবিত যুব শক্তি ভরসা কার্ড প্রকল্পের সংশোধিত বা নতুন রূপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
না। সরকার এখনও নিবন্ধনের তারিখ বা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোনো ঘোষণা করেনি।
প্রকল্পটির আবেদন প্রক্রিয়া এখনও প্রকাশ করা হয়নি। প্রকল্পটি কার্যকর হওয়ার আগে বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আবেদনকারীর পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম হতে হবে।
Do you have any question regarding schemes, submit it in scheme forum and get answers:
Feel free to click on the link and join the discussion!
This forum is a great place to:
- Ask questions: If you have any questions or need clarification on any aspect of the topic.
- Share your insights: Contribute your own knowledge and experiences.
- Connect with others: Engage with the community and learn from others.
I encourage you to actively participate in the forum and make the most of this valuable resource.
| ব্যক্তির প্রকার | প্রকল্পের ধরন | সরকার |
|---|---|---|
Comments
ভরসা কর্মসূচি
আমি এইট পাস ভরসাকর্মসূচি আওতায় আস্তেপারবো
West Bengal Taruner Swapna Scheme
WONDERFUL
নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন